দেশ টিভিতে আমার পরিকল্পনা এবং স্ক্রিপ্টে, ইরেশ জাকেরের উপস্থাপনায় দেশ ই গল্প নামে একটা ফান শো হয়।  অনেকেই অনুষ্টানটি টিভিতে দেখতে না পেরে আমার কাছে ভিডিও চেয়েছেন। কেউ বলেছেন ইউটিউবে আপ করতে। কিন্তু আমার কাছে এর কোন ভিডিও কপি নেই। তাই ভাবলাম ব্লগে কিছু স্ক্রিপ্ট দিয়ে দেই। আমার বন্ধুরা দেখতে না পারলেও পড়তে তো পারবেন।
দেশ  ই গল্প–কবি পর্ব
প্রিয় একমাত্র দর্শক, দেশ ই গল্প অনুষ্ঠানে আপনাকে আমন্ত্রন জানাই আমি ইরেশ জাকের.। প্রতি পর্বের মত আজও আমার সঙ্গে উপ¯ি’ত আছেন একজন বিশেষ অতিথি। আমাদের আজকের অতিথির নাম কালু গুন্ডা। উপমহাদেশে উনার মতো বড় উঠতি কবি আর নেই। আজ আমরা উনার সাথে বাংলাদেশে এবং বিশ্বের কবিতা  নিয়ে আলাপ করব। দেশ ই গল্প অনুষ্ঠানে আমাদের সাথে আলোচনায় যোগ দিতে চাইলে ফোন কর“ণ  ০০-৪২০-৬৯ নম্বরে।

ইরেশঃ স্যার, প্রথমেই একটা প্রশ্ন না করে পারছি না…
অতিথিঃ যা খুশি প্রশ্ন কর“ন। উত্তর ভুল হলে তো আর আমাকে স্টুডিও থেকে বের করে দেবেন না?
ইরেশ; না না স্যার … কি যে বলেন। আপনাকে বের করে দিলে আমার অনুষ্ঠান চলবে কিভাবে? এম্নিতেই গেষ্ট পাই না…
অতিথিঃ তাহলে প্রশ্ন কর“ন।
ইরেশ; মানে স্যার … আপনার নামই কি কালু গুন্ডা? নাকি এটা আপনার টাইটেল?
অতিথিঃ আপনাকে ধন্যবাদ এমন যুগোপযুগি সুন্দর একটি প্রশ্ন করার জন্য। আসলে কালু গুন্ডা ই আমার নাম। টাইলের কথা যদি বলেন সেটা নিয়ে অন্য একদিন আলাপ করা যাবে।
ইরেশঃ ইয়ে মানে স্যার কালু গুন্ডা নাম টা কি আপনার বাবা রেখেছিলেন?
অতিথিঃ আরে না । কালু গুন্ডা নাম আমি নিজে রেখেছি।
ইরেশঃ বলেন কি স্যার? তা এই রকম একটি অসাধারন নাম রাখার কারন কি?
অতিথিঃ কারনটা খুবই সাধারন। আমার নাম ছিল বাবুল। নামটার মধ্যে কেমন যেন বাবু বাবু গন্ধ আছে।তাই আমি নাম পালটে  কালু গুন্ডা রেখেছি।
ইরেশঃ ঠিক আছে মানলাম আপনার নামে বাবু বাবু গন্ধ আছে।তাই নাম পালটে ফেলেছেন। কিš‘ এত নাম থাকতে কালু গুন্ডা কেন?
অতিথিঃ দেখুন আপনি জানেন আমি কবিতা লিখি। আমি যখনই কবিতা নিয়ে কোন সম্পাদকের সাথে দেখা করতে যেতাম তখন সম্পাদক সাহেব উঠতি কবি বাবুল এসেছে, এই কথা শুনে আর দেখাই করত না। কবিতা ছাপাতো দূরে থাক।
ইরেশঃ তার মানে এখন আপনি যখনই কবিতা নিয়ে কোন সম্পাদকের সাথে দেখা করতে যান, গিয়ে বলেন কালু গুন্ডা এসেছে। আর তখন আপনার কবিতা ছাপা হয়?
অতিথিঃ ছাপা হয় মানে? সম্পাদক যখন শোনে কালু গুন্ডা এসেছে তখনি তার ধারনা হয় কোন চাদাবাজ এসেছে তার কাছে চাদা চাইতে। অথবা কোন সন্ত্রাসি তাকে অপহরন করে লাখ টাকা মুক্তি পন চাইবে। এই ভয়ে সে কাপ্তে কাপ্তে  আমার কাছে আসে। আর আমি যখন পকেটে হাত দেই তখন তো অনেক সম্পাদক কান্না কাটি শুর“ করে।
ইরেশঃ কেন? আপনি পকেটে হাত দিলে সম্পাদক সাহেব কান্না কাটি শুরু করেন কেন?
অতিথিঃ আরে তারা ভাবে আমি বুঝি পকেটে হাত দিয়ে পিস্তল অথাবা চাকু বের করছি। কিš‘ যখন দেখে যে আমি শুধু একটা কবিতা বের করে তাকে দি”িছ, তখন সে আনন্দে নাচতে থাকে। অনেক সময় সম্পাদক সাহেব এত খুশি হয় যে আমার কবিতা দিয়ে পত্রিকার কভার ছাপে।
ইরেশঃ স্যার, আমরা আপনার কাব্য প্রতিভা নিয়ে, আরও শুনব, তবে তার আগে ফোন দরে নেই। হ্যালো দর্শক, আপনার নাম বলে আলোচনায় অংশ নিন।
দরশকঃ আমি ভাইয়ার সাথে একটু কথা বলতে চাই.
ইরেশঃ হা, ভাইয়া আপনার কথা শুনছেন। আপনার প্রশ্ন কর“ন।
দরশকঃ ভাইয়া আমি আপনার গানের খুব ভক্ত। আপনি এত সুন্দর গান করেন আমি জানতাম না। সেদিন আমার এক ভাইয়ের কাছ থেকে আপনার গানের একটা সিডি এনে আপনার গান শুনে অনেক ভাল লেগেছে। সেই থেকে আমি আপনার ভক্ত। আজ টিভিতে আপনাকে দেখে খুব ভাল লাগছে।
অতিথিঃ ধন্যবাদ ভাই, আপনাকে অনেক ধন্যবাদ… আপনার ফোন পেয়ে অনেক খুশি হলাম।
ইরেশঃ স্যার আপনি গান করেন সেটা তো জানতাম না। আপনি তো দেখি ৎবধষ ঃধষবহঃ !! আপনি কত দিন ধরে গান করছেন স্যার? আর আপনার গানের যে সিডি বের হয়েছে সেটার নাম কি স্যার?
অতিথিঃ ইয়ে, মানে… আসলে আমি নিজেও জানতাম না যে আমি গান গাই। আজ এই দরশক এর ফোন পেয়ে জানলাম বাজারে আমার সিডি আছে।
ইরেশঃ আপনি মুলত কি ধরনেন কবিতা লেখেন?
অতিথিঃ ধন্যবাদ… আমার কবিতা কি ধরনের তা আমি নিজেও সিওর না। 
ইরেশঃ মানে কি স্যার?
অতিথিঃ আসলে, আমার কবিতা এক এক সময় এক এক রকম লাগে। এই যেমন রাতে পড়লে এক রকম লাগে , দিনে পড়লে এক রকম লাগে , আবার কোন ষ্টুডিও তে বসে পড়লে এক রকম লাগে। 
ইরেশঃ তার মানে আপনার কবিতা মাল্টি ডাইমেনশনাল। অনেকটা আইনেষ্টিনের সুত্রের কাছাকাছি। টাইম এন্ড স্পেস এর ব্যাপার জরিত…
অতিথিঃ তাহলে আপনাকে একটা কবিতা শুনাই। 
ইরেশঃ নানা না… মানে এখনি আমাদের একটু বিরতিতে যেতে হবে।
প্রিও একমাত্র দরশক… সময় হল বিরতি নেবার। বিরতি না নিয়ে উপায় নেই। আগে নিজের জীবন বাচাতে হবে। বিরতির পর ফিরব কালু গুন্ডাকে সাথে নিয়ে।
বিরতিঃ
দরশক, বিরতির পর আবারো আমন্ত্রন দেশ ই গল্প অনুষ্ঠানে । আমার সঙ্গে উপ¯ি’ত আছেন উঠতি কবি কালু গুন্ডা। আজ আমরা উনার সাথে বাংলাদেশে এবং বিশ্বের কবিতা  নিয়ে আলাপ করব। দেশ ই গল্প অনুষ্ঠানে আমাদের সাথে আলোচনায় যোগ দিতে চাইলে ফোন কর“ণ  ০০-৪২০-৬৯ নম্বরে।
ইরেশঃ স্যার, একটা কথা খুব জানতে ই”ছা করছে। যদি অনুমতি দেন তো বলি?
অতিথিঃ আবশ্যই, আবশ্যই… বলুন কি জানতে চান?
ইরেশঃ স্যার, আপনাকে উঠতি কবি বলা হয় কেন?
অতিথিঃ আপনাকে অনেক ধন্যবাদ আমাকে কবিতা নিয়ে প্রশ্ন করার জন্য। আসলে আমি যখনি কাউকে কবিতা শুনাতে যাই, সেই আমার সামনে থেকে উঠে চলে যায়। তাই আমি নিজেই নিজেকে টাইটেল দিয়েছি — উঠতি কবি।
ইরেশঃ একদম যুগোপযুগি টাইটেল হয়েছে স্যার… এই যেমন রবিন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছদ্মনাম ছিল ভানু সিংহ। ততকালিন ব্রিটিস রাজের টাইটেল ও ছিল সিংহ। সে কারনে রবিন্দ্রনাথ ঠাকুর ছদ্মনাম হিসাবে ভানু সিংহ নাম নিয়ে যুগের সাথে তাল মিলিয়েছিলেন।
অতিথিঃ ঠিক বলেছেন। আর এই যুগ হ”েছ গুন্ডা দের যুগ। তাই আমি আমার ছদ্মনাম রেখেছি কালু গুন্ডা।
ইরেশঃ স্যার, আমরা আপনার কাব্য প্রতিভা নিয়ে, আরও শুনব, তবে তার আগে ফোন দরে নেই। হ্যালো দর্শক, আপনার নাম বলে আলোচনায় অংশ নিন।
দরশকঃ আমি স্যারের সাথে একটু কথা বলতে চাই।
ইরেশঃ হা, স্যার  আপনার কথা শুনছেন। আপনার প্রশ্ন কর“ন।
দরশক; স্যার, আপনি ঢ়ষবধংব ঐ কদম ফুল গান টা দুলাইন গেয়ে শুনান
অতিথিঃ ইয়ে দরশক আপনাক ধন্যবাদ… তবে আজ যেহেতু শনিবার তাই কদম ফুলের গান টা গাইতে পারছি না। আমি আবার এক এক দিন এক এক ধরনের গান গাই। 
আ”ছা একটা ব্যাপার বুঝলাম না, সব দরশক আমকে গানের কথা বলছে কেন?
ইরেশঃ স্যার একটা কথা আপনাকে বলা হয় নি। আমাদের শোতে যে ফোন টা আছে, সেটায় মাঝে মাঝে ক্রস কানেক্সান হয়।
অতিথিঃ মানে? সেটা কিভাবে হয়?
ইরেশঃমানে স্যার আন্য কোন শো এর কল আমাদের শোতে চলে আসে। মনে হয় আজ কন এক শোতে গায়ক টাইপ কেউ এসেছেন। তার গানের কল এখন আমাদের শোতে আসছে।
অতিথিঃ বলেন কি?
ইরেশঃ কিছু করার নেই স্যার, আমরা পরিস্থিতির শিকার… তাই আরো ফোন আসার আগেই বিরতি দিয়ে দেই। দরশক … আসছি। 
বিরতিঃ
দরশক, বিরতির পর আবারো আমন্ত্রন দেশ ই গল্প অনুষ্ঠানে । আমার সঙ্গে উপ¯ি’ত আছেন উঠতি কবি কালু গুন্ডা। আজ আমরা উনার সাথে বাংলাদেশে এবং বিশ্বের কবিতা  নিয়ে আলাপ করব। দেশ ই গল্প অনুষ্ঠানে আমাদের সাথে আলোচনায় যোগ দিতে চাইলে ফোন কর“ণ  ০০-৪২০-৬৯ নম্বরে।
ইরেশঃ স্যার, একটা ব্যাপার খেয়াল করেছেন?
অতিথিঃ একটা কেন, আমি আমার আসেপাশের সব ব্যাপারই খেয়াল করি। এখন বলেন আপনি কোন বিষয়টা খেয়াল করতে বোলছেন?
ইরেশঃ না মানে স্যার, ইদানিং ঢাকা শহরের বেশ কিছু এলাকায় বেশ কিছু বহুতল ভবন হেলে দুলে ভেংগে পরছে। এর কারন কি স্যার?
অতিথিঃ আরে কি মুশকিল। আমি কি রাজ মিস্ত্রি নাকি যে বিল্ডিং এর ঘটনা বিশ্লেষন করব?
ইরেশঃ না মানে স্যার আপনি এত প্রতিভাবান একজন কবি, আপনার চিন্তার গভিরতা আর বিশালতার প্রাতি শ্রধ্যা রেখেই আপনাকে প্রশ্ন করেছি।
অতিথিঃ আপনাকে ধন্যবাদ… আমি এই ব্যপারে আসলে বেশ কিছু চিন্তা করেছি। আর সেই চিন্তা থেকে যা পেয়েছি তাই নিয়ে ৮০/৯০ টা কবিতাও লিখেছি। আপনি শুনবেন ? ১০/১২ টা কবিতা শুনাই??
ইরেশঃ না না ধন্যবাদ স্যার, ধন্যবাদ। আপনি শুধু বলেন যে চিন্তা করে কি পেলেন? যারা এই ধরনের বহুতল ভবন হেলানর মত অনেতিক কাজ করছে তাদের কি করা উচিত?
অতিথিঃ আমার মতে তাদের পুর“স্কার দেয়া উচিত।
ইরেশঃ না মানে স্যার, সরকার তো তাদের হেলে পরা ভবন ভেংগে ফেলছে।
অতিথিঃ খুবই অন্যায় কাজ করছে। পিসার সেই বিখ্যাত মিনার যখন হেলে পরে তখন সেটাকে শিল্পের মরযাদা দেয়া হয়েছিল। পরে তার নাম হয় পিসার হেলান মিনার। আর আমরা রাজ মিস্ত্রিদের হেলান ভবন সংরক্ষন না করে ভেংগে ফেলে অন্যায় করছি।
ইরেশঃ স্যার, আমরা আপনার কাব্য প্রতিভা নিয়ে, আরও শুনব, তবে তার আগে ফোন দরে নেই। হ্যালো দর্শক, আপনার নাম বলে আলোচনায় অংশ নিন।
দরশকঃ আমি স্যার কে এক টা প্রশ্ন করব…
ইরেশঃ হ্যাল দরশক  তার আগে বলুন আপনি কি কন গান শুনতে চাইছেন? 
দরশকঃ জি না, আমি গান শুনতে চা”িছ না, আমি স্যার কে এক টা প্রশ্ন করব…
ইরেশঃযাক বাচা গেল। উনি গান শুনতে চা”েছন না। ঠিক আছে দরশক, আপনি আপনার প্রশ্ন কর“ন।
দরশকঃ স্যার আপনার ষবঃবংঃ পফ টা কোথায় পাওয়া যাবে?
অতিথিঃ আপনাকে ধন্যবাদ। আমার সিডি আপাতত কোথাও পাবেন না।
দরশকঃ কেন স্যার ? কেন পাব না?
অতিথিঃ কারন আমি নিজেই সব সিডি কিনে ফেলেছি। আসলে গান গুলো আমার খুব প্রিয় তাই সারাদিন একটার পর একটা সিডি বাজাই। সেই কারনে বাজারে কোথাও আমার সিডি পাবেন না। আর আপনি যদি কোথাও ২/১ কপি খুজেপান তাহলে আমাকে দয়াকরে জানাবেন। আমি সেগুলোও কিনে ফেলব…
ইরেশঃ স্যার আমদের অনুষ্ঠানে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
অতিথিঃ মানে কি?
ইরেশঃ মানে স্যার আমাদের অনুষ্ঠন শেষ। আপনাকে বিদায়।
অতিথিঃ ঠিক আছে। কিন্তু চলে যাওয়া মানে তো প্রস্থান নয়… আমি আপনাকে একটা কবিতা শুনাতে চাই।
ইরেশঃ স্যার, আমকে দরশকদের কাছ থেকে বিদায় নিতে হবে।
অতিথিঃ নেনে, বিদায় নেন। আমি আছি…
ঠিক আছে দর্শক। আজ বিদায়, দেখা হবে আগামি সপ্তাহে। দেশ ই গল্পে
দর্শক, দেশ ই গল্প আপনাদেরই অনুষ্ঠান। তাই আপনাদের জীবনের যাবতীয় অবাস্তব সমস্যা আমাদের ই মেইল কর“ন আমরা অবশ্যই আপনাদের সমস্যার বাস্তব সমাধান দেব। এছাড়া মজার ভিডিও,ছবি,চিঠি,এসএমএস,গল্প,কবিতা উপন্যাস, বাজারের লিস্ট……… যা কিছু মজার তাই আমাদের কাছে পাঠান। আমাদের ঠিকানা
চিঠি লিখুন :
প্রযোজক 
দেশ ই গল্প
দেশটেলিভিশন 
কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট
৭০,শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক
মালিবাগ,ঢাকা,১২১৭
ই-মেইল : দেশইগল্প এট দেশ ডট টিভি
এই অনুষ্ঠানের প্রতিটা ঘটনা ও বক্তব্য কাল্পনিক, জীবিত, মৃত অথবা অর্ধমৃত কারও সাথে এর কোন মিল নেই। যদি কেউ কোন মিল খুঁজতে চান, তবে নিজ দায়িত্বে খুঁজবেন। ধন্যবাদ।
অতিথিঃ আ”ছা আমি কি আমার কবিতাটা আপনাকে শুনাব?
ইরেশঃ আবার কোন কবিতা স্যার?
অতিথিঃ আসলে আপনার অনুষ্ঠানে বসে থাকতে থাকতেই আমি আপনাকে নিয়ে একটা কবিতা লিখে ফেলেছি। সেটা আপনাকে শুনাতে চা”িছ।
ইরেশঃ আমাকে মাপ করা যায় না স্যার? প্লিজ স্যার… আমি খুবি অসহায় আর নিরিহ।
অতিথিঃ আহা…কবিতাটা খুভ ভাল হয়েছে।আপনি ভুল বুঝছেন।
ইরেশঃ আমি স্যার ঠিক ই বুঝেছি। মানে স্যার …
অতিথিঃ মানে টানে জানি না। আপনাকে কবিতা শুনতেই হবে।
ইরেশঃ ইয়ে স্যার, মানে বলছিলাম কি, আমাদের প্রোডিওসার সাহেব খুব কবিতা পছন্দ করেন। আপনি বরং তাকে শুনান।
অতিথিঃ তাকে তো শুনাবই… আগে আপনাকে শুনাই।
ইরেশঃ না না স্যার, মানে প্রোডিওসার সাহেব সিনিয়র মানুষ । এখন তার আগে আমি কবিতা শুনলে উনি কষ্ট পাবে।
অতিথিঃ এটা আপনি ঠিক বলেছেন। উনার মনে কষ্ট দেয়া ঠিক হবে না। তাহলে উনাকে ডাকুন। আপনাদের দুজন কে এক সাথে শুনাই।
ইরেশঃ আমি ওনাকে ডেকে আনছি… আপনি বসুন স্যার…।
Advertisements